পিতা, পুত্র ও পবিত্র আত্মার নামে। আমাদের প্রভু যীশু খ্রীষ্টের অনুগ্রহ, পিতা ঈশ্বরের প্রেম এবং পবিত্র আত্মার সহভাগিতা আপনাদের সকলের সাথে থাকুক।
হে প্রভু, আমাদের ক্ষমা করুন। হে খ্রীষ্ট, আমাদের ক্ষমা করুন। হে প্রভু, আমাদের ক্ষমা করুন।
একটি ছোট মাটির বা প্লাস্টিকের জমানোর পাত্র … ঘরের কোণে কোনো পড়ার টেবিল বা আলমারির তাকে শান্ত হয়ে বসে থাকে।
সেটি খুব বড় কিছু নয়। কিন্তু একজন শিশুর কাছে সেটি তার সমস্ত পৃথিবীর সম্পদ। সেখানে জমানো প্রতিটি মুদ্রা তার ছোট ছোট ইচ্ছে, তার স্বপ্ন আর ভবিষ্যতের সুরক্ষার রূপ। শিশুটি সেই পাত্রটি হাত দিয়ে স্পর্শ করে, সেটি নাড়িয়ে দেখে কতটা ভারী হলো, আর নিজের মনে মনে হিসাব করে তার জমানো ধন দিয়ে সে কী কী করতে পারে। সাধারণ মানুষের যুক্তিতে, সেই জমানো পাত্রটি হলো ধরে রাখার প্রতীক। আটকে রাখার প্রতীক। নিজের জন্য সঞ্চয় করার প্রতীক।
কিন্তু ভেবে দেখুন তো, যদি সেই শিশুটি একদিন কোনো কথা ছাড়াই, কোনো দ্বিধা ছাড়াই সেই জমানো পাত্রটি তুলে নিয়ে এসে বলে, "আমার যা কিছু আছে, সব নিয়ে নাও … আমার স্বজনের কষ্টের জন্য আমি এই সবটুকু দিতে চাই"?
সেখানে কোনো হিসাব থাকে না। সেখানে কোনো আত্মসংরক্ষণ থাকে না। সেখানে কেবল থাকে এক বিশুদ্ধ, উন্মুক্ত হৃদয়।
আজকের সুসমাচারে প্রভু যীশু আমাদের এই পরম সত্যের মুখোমুখি দাঁড় করাচ্ছেন। পিতর যখন যীশুকে বললেন, "ঈশ্বর না করুন, প্রভু! আপনার প্রতি এমন দুঃখভোগের ঘটনা কখনোই ঘটবে না", তখন পিতর মানুষের যুক্তিতে কথা বলছিলেন। মানুষের যুক্তি বলে: নিজেকে বাঁচাও। কষ্ট থেকে দূরে থাকো। যা তোমার আছে, তা শক্ত করে আঁকড়ে ধরে রাখো। নিজের জীবনকে সুরক্ষিত করো।
কিন্তু যীশু পিতরকে থামিয়ে দিয়ে অত্যন্ত কঠোর অথচ গভীর এক সত্য উচ্চারণ করলেন: "তুমি ঈশ্বরের মতো ভাবছ না, মানুষের মতো ভাবছ। যে কেউ নিজের প্রাণ বাঁচাতে চায়, সে তা হারাবে; কিন্তু যে কেউ আমার জন্য নিজের প্রাণ হারায়, সে তা খুঁজে পাবে।"
ঈশ্বরের যুক্তি আর মানুষের যুক্তি এক নয়। মানুষের যুক্তি সঞ্চয় করতে শেখায়; ঈশ্বরের প্রেম নিজেকে সম্পূর্ণ ঢেলে দিতে শেখায়।
আজকের প্রথম পাঠে আমরা ভাববাদী যিরমিয়ের সেই ব্যাকুল কণ্ঠস্বর শুনি। যিরমিয় ঈশ্বরের বাক্য প্রচার করতে গিয়ে অপমানিত হয়েছেন, উপহাসের পাত্র হয়েছেন। তিনি নিজের মনে ভেবেছিলেন, "আমি আর তাঁর নাম উচ্চারণ করব না, আমি চুপ করে থাকব, আমি নিজেকে গুটিয়ে নেব।" কিন্তু তিনি কি পেরেছিলেন? না। তিনি বলছেন: "তা আমার অন্তরে জ্বলন্ত আগুনের মতো হয়ে ওঠে, আমার অস্থিতে বন্দি হয়ে থাকে; আমি তা চেপে রাখতে রাখতে ক্লান্ত হয়ে পড়ি, আর তা সহ্য করতে পারি না।"
ঈশ্বরের প্রেম কোনো বন্দি পাত্রে আটকে রাখা যায় না। তা অন্তরের গভীরে আগুনের মতো জ্বলে ওঠে। তা সমস্ত আত্মরক্ষা ও দ্বিধাকে জ্বালিয়ে ছাই করে দেয়।
আজ ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ সাল। গত ১৩ই জুন আমাদের আদরের বেঞ্জামিন ভো—আমাদের সবার প্রিয় বেন—আমাদের ছেড়ে প্রভুর চিরন্তন আলয়ে চলে গেছে। আজ প্রায় দুই মাস হলো।
আমি জানি, এই ষাটটি দিন আপনাদের জন্য কতটা দীর্ঘ এবং কষ্টকর ছিল।
প্রথম ধাক্কা, মানুষের যাতায়াত, সান্ত্বনার সমবেদনা—সবকিছু হয়তো সময়ের সাথে সাথে কিছুটা স্তব্ধ হয়ে এসেছে। আর এখন নেমে এসেছে সেই নিঃশব্দ বাস্তবতা। সেই নিস্তব্ধতা, যা বেনের খালি হয়ে যাওয়া ঘরের মধ্যে ঘুরঘুর করে। সেই নিস্তব্ধতা, যা অ্যালান আর থাওয়ের প্রতিদিনের সকাল ও সন্ধ্যায় এক ভারী মেঘের মতো চেপে থাকে।
চলুন, আজ আমরা কোনো কাল্পনিক সান্ত্বনা না দিয়ে সত্যিটা স্বীকার করি। ফাঁকা চেয়ারটি এখনও ওভাবেই পড়ে আছে। বেনের ঘরের সেই পড়ার টেবিল, তার কম্পিউটারের কিবোর্ড, তার বইগুলো আজ নিঃশব্দ। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে যখন আপনারা অনুভব করেন যে বেন আর সেই চেনা হাসিতে সাড়া দিচ্ছে না, তখন বুকটা চিরে কান্না আসে। এই দুই মাস কেটে গেলেও সেই শূন্যতা একটুও কমেনি।
আপনাদের মনে হতে পারে, "আমরা আমাদের সমস্ত ভালোবাসা দিয়ে ওকে ধরে রাখতে চেয়েছিলাম, তবে কেন এমন হলো?"
কিন্তু ঠিক এই যন্ত্রণার মাঝেই আজকের সুসমাচার এবং দ্বিতীয় পাঠের সেই গভীর বাণী আমাদের অন্ধকারের মধ্যে আলো হয়ে দেখা দেয়।
সাধু পৌল রোমীয়দের লিখছেন: "তোমাদের শরীরকে এক জীবন্ত, পবিত্র ও ঈশ্বরের প্রীতিজনক বলিদান হিসেবে উৎসর্গ করো; এটাই তোমাদের আত্মিক উপাসনা।"
বলিদান মানে কেবল কষ্ট পাওয়া নয়। বলিদান মানে হলো ভালোবাসায় নিজেকে উন্মুক্ত করে দেওয়া।
আমাদের প্রিয় বেঞ্জামিন—আমাদের বেন—তার পনেরো বছরের সংক্ষিপ্ত জীবনে এই উন্মুক্ত হৃদয়ের এক অপূর্ব উদাহরণ রেখে গেছে। সে ছিল প্রখর মেধার অধিকারী এক কিশোর। চতুর্থ শ্রেণীতে পড়তেই সে অষ্টম শ্রেণীর গণিত সমাধান করত, ১৪ বছর বয়সে AI আর ক্লাউড প্রযুক্তি নিয়ে গভীর আলোচনা করত। কিন্তু তার সেই তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণধর্মী মনের চেয়েও যা আমাদের হৃদয়কে গভীরভাবে স্পর্শ করে, তা হলো তার সেই স্পর্শকাতর ও দানশীল হৃদয়।
আপনাদের কি মনে পড়ে বেনের সেই ছোট সঞ্চয়ের পাত্রটির কথা? বেনের বয়স যখন ১৫ বছর, যখন তার কাকা উইলিয়াম দুটি স্ট্রোকের শিকার হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন, তখন কোনো বড় মানুষ কিন্তু বেনের কাছে সাহায্য চায়নি। কেউ তাকে কিছু দিতে বলেনি। কিন্তু এই ১৫ বছরের ছেলেটির অন্তরে ভালোবাসার সেই আগুন এমনভাবে জ্বলে উঠেছিল যে সে স্বতঃস্ফূর্তভাবে তার বাবা-মায়ের কাছে গিয়ে বলেছিল, সে তার সঞ্চয়ের সমস্ত টাকা, তার সেই জমানো পাত্রের সবটুকু কাকার চিকিৎসার জন্য দিয়ে দিতে চায়।
বেন কিন্তু সেই পাত্রটি ভেঙে ফেলেনি, কিংবা তাকে শেষ পর্যন্ত টাকাটা দিতেও হয়নি—কারণ তার কাকার বীমা ছিল। কিন্তু সেই টাকাটা দেওয়া হয়েছিল কি হয়নি, তা বড় কথা নয়। মূল বিষয় হলো তার সেই অফার, তার অন্তরের সেই ইচ্ছা! একটি পনেরো বছরের বালক, যে নিজের জমানো সমস্ত সম্পদ এক মুহূর্তের দ্বিধা ছাড়া অন্যের কষ্টের জন্য তুলে দিতে প্রস্তুত ছিল। সে নিজের সঞ্চয় আঁকড়ে ধরে রাখতে চায়নি। সে চেয়েছিল নিজেকে উজাড় করে দিতে।
এটিই হলো "জীবন্ত বলিদান"। এটিই হলো যীশুর সেই বাণী: "যে নিজের প্রাণ হারায়, সে তা খুঁজে পায়।"
বেনের হৃদয়ে ঈশ্বরের এই নিঃস্বার্থ প্রেমের আগুন জ্বলছিল। সে মানুষের মতো হিসাব করেনি; সে ঈশ্বরের প্রেমের মতো করে চিন্তা করেছিল। সে যা ভেবেছিল, তা কেবল নিজের স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য নয়, বরং অন্যের উপকারের জন্য।
মাঝে মাঝে এই ধরনের গভীর শোকের রাতে, পিতা-মাতার মনে এক অদ্ভুত এবং ভারী পাথর চেপে বসে। মনের অলক্ষে এক নীরব অপরাধবোধ আপনাদের গ্রাস করতে চায়। আপনারা নিঝুম রাতে একা বসে ভাবতে থাকেন, "আমি কি আরও একটু ভালো করতে পারতাম? আমি কি কোনো সংকেত মিস করেছি? কেন আমি আমার সন্তানকে ধরে রাখতে পারলাম না? আমি কি কোথাও কোনো ভুল করেছিলাম?"
আজ যীশুর সেই পরম সত্যটি আপনাদের হৃদয়ে গ্রহণ করুন। যখন শিষ্যরা জন্মঅন্ধ লোকটিকে দেখে যীশুকে জিজ্ঞেস করেছিল, "কার পাপের জন্য এমন হলো? ওর না ওর পিতা-মাতার?" যীশু খুব স্পষ্টভাবে উত্তর দিয়েছিলেন, "কারো পাপের জন্য নয়।"
প্রিয় অ্যালান, প্রিয় থাও — বেনের এই চলে যাওয়া কোনো ভুল, কোনো অবহেলা বা কোনো পাপের শাস্তি নয়। ঈশ্বর কখনো রোগ বা মৃত্যু পাঠান না। এই পৃথিবীতে কিছু দুঃখ সম্পূর্ণ মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে আসে। আপনারা বেনকে যে ভালোবাসা দিয়েছেন, তা ছিল পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভালোবাসা। আপনারা তার সাথে সারা বিশ্ব ঘুরেছেন, তার শখের বোয়িং ৭৩৭ বিমান দেখার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা এয়ারপোর্টে দাঁড়িয়েছেন, তার স্বপ্নগুলোকে ডানা মেলতে সাহায্য করেছেন। আপনারা কোনো ভুল করেননি। আপনাদের ভালোবাসা ছিল নিখুঁত।
আজ সেই আত্মগ্লানি ও অপরাধবোধের পাথর হৃদয় থেকে ফেলে দিন। ঈশ্বর আপনাদের অন্তরের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা দেখেছেন। আপনারা বেনের জীবনে যে ভালোবাসার জল সিঞ্চন করেছিলেন, তা কোনোদিন ব্যর্থ হয়নি।
আজকের গীতসংহিতায় আমরা গাই: "তোমার দয়া জীবনের চেয়েও উত্তম … তোমার ডানার ছায়ায় আমি আনন্দে চিৎকার করে উঠি। আমার আত্মা তোমাতেই আঁকড়ে ধরে থাকে।"
আমাদের প্রিয় বেঞ্জামিন আজ আর এই পৃথিবীর কোনো অসুস্থতা বা সীমাবদ্ধতার মধ্যে বন্দি নেই। সে আজ ঈশ্বরের সেই পরম ডানার ছায়ায় বিশ্রাম নিচ্ছে। সাধু কার্লো আকুত্তিসের মতো, যে তরুণ বয়সে প্রভুর প্রেমে আত্মনিয়োগ করেছিল, আমাদের বেনও আজ স্বর্গের সেই চিরন্তন ভোজসভায় (Banquet of Heaven) সাধু কার্লোর পাশে দাঁড়িয়ে আছে।
তারা দুজন আজ স্বর্গের সিংহাসনের সামনে দাঁড়িয়ে পৃথিবীর সমস্ত চিকিৎসক ও গবেষকদের জন্য আন্তর্বিনতি করছে, যাতে লিকোমিয়ার মতো মরণব্যাধির নিরাময় আবিষ্কৃত হয় এবং অন্য কোনো পরিবারকে যেন এই বেদনাময় পথ দিয়ে হাঁটতে না হয়। বেনের জীবন শেষ হয়ে যায়নি; তার সেই অন্তরের আগুন আজ স্বর্গের আলোয় নতুনভাবে প্রজ্জ্বলিত হয়েছে।
রায়য়ান, আমার স্নেহের ছোট ভাই — তোমার বড় ভাই বেন তোমাকে কতটা ভালোবাসত, তা তুমি খুব ভালো করেই জানো। তোমরা একসাথে কত খেলেছ, কত সুন্দর স্মৃতি তৈরি করেছ। আজ তোমার দাদা শারীরিকভাবে তোমার পাশে নেই, কিন্তু তার সেই উদ্বুদ্ধকারী বাক্য — "চেষ্টা করাই আসল কথা" — তা সে তোমার হৃদয়ে রেখে গেছে। সে যেমন নিজের জমানো সম্পদ নিঃসংকোচে দিতে চেয়েছিল, তুমিও তেমনি তোমার অন্তরের ভালোবাসা ও শক্তি দিয়ে তোমার বাবা-মায়ের পাশে দাঁড়াও। তুমি মন দিয়ে পড়াশোনা করো, খেলাধুলা করো। তোমার প্রতিটি ভালো কাজে, তোমার প্রতিটি হাসিতে বেনের স্মৃতি জীবন্ত হয়ে থাকবে।
আজ দূর-দূরান্ত থেকে যারা আমাদের এই প্রার্থনায় যুক্ত হয়েছেন — বিশেষ করে যে পরিবারগুলো কোনো সন্তান বা প্রিয়জনকে হারিয়ে শোকের ভারী ক্রুশ বহন করছেন, অথবা যারা কোনো কঠিন অসুস্থতার সাথে লড়াই করছেন — আপনারা জেনে রাখুন, ঈশ্বর আপনাদের দেখছেন। তিনি আপনাদের রাতের সেই গোপন অশ্রু চেনেন। যখন আপনারা নিজেদের নিঃস্ব এবং ক্লান্ত অনুভব করেন, তখন মনে রাখবেন, প্রভু যীশু তাঁর ক্রুশ বহনের মধ্য দিয়ে আপনাদের সেই কষ্টকে নিজের করে নিয়েছেন।
আসুন, আজকের এই পবিত্র লিটার্জি থেকে আমরা একটি ছোট কিন্তু গভীর সত্য আমাদের সাথে নিয়ে বাড়ি ফিরি।
আজ আমরা যেন বেনের সেই ছোট জমানো পাত্রটির কথা স্মরণ করি। আমরা যেন আমাদের জীবনকে কেবল ধরে রাখার জন্য, কেবল নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার না করি। আজ থেকে আমরা যেন আমাদের অহংকার, আমাদের রাগ, আর আমাদের আত্মকেন্দ্রিকতাকে একটু একটু করে ত্যাগ করি।
আজ যখন আপনারা বাড়ি ফিরবেন, আপনার পরিবারের কোনো একজন সদস্যের দিকে তাকান—যার সাথে হয়তো আপনার একটু দূরত্ব তৈরি হয়েছিল—তাকে ভালোবাসার একটি হাত বাড়িয়ে দিন। কোনো প্রতিদানের আশা না করে, নিঃস্বার্থভাবে কাউকে সাহায্য করুন। বেনের মতো এক মুক্ত ও উদার হৃদয় নিয়ে ঈশ্বর ও মানুষের সেবা করুন।
ভিয়েতনামের সিয়া মাউ (Cà Mau) অঞ্চলে বেনের নামে উৎসর্গীকৃত সেই 'ভালোবাসার কূপ' (Giếng Gioan Baotixita) থেকে যেভাবে প্রতিদিন তৃষ্ণার্ত মানুষের জন্য জীবনদায়ী জল প্রবাহিত হচ্ছে, তেমনি আমাদের জীবন থেকেও যেন প্রতিদিন ছোট ছোট দয়া ও আত্মত্যাগের ধারা প্রবাহিত হয়।
প্রভু যীশু খ্রীষ্টের পরম শান্তি আপনাদের গৃহ ও হৃদয়কে পূর্ণ করুক। ধন্য কুমারী মারীয়া তাঁর মাতৃত্বের আঁচল দিয়ে আপনাদের সমস্ত ক্ষত ঢেকে রাখুন। এবং আমাদের প্রিয় বেঞ্জামিন ভো স্বর্গের সেই চিরন্তন আলোয়, প্রভু যীশু ও সাধু কার্লোর সান্নিধ্যে শান্তিতে বিশ্রাম করুক।
আমেন।
For the intentions entrusted to Ben on our prayer wall:
🕯 প্রার্থনা প্রাচীরে আপনার নিজের প্রার্থনা প্রজ্জ্বলিত করুন →
মুক্তিদাতার আজ্ঞায় এবং ঐশ্বরিক শিক্ষায় গঠিত হয়ে, আমরা বলতে সাহস করি:
স্বর্গস্থ আমাদের পিতা, তোমার নাম পূজিত হোক। তোমার রাজ্য আসুক। তোমার ইচ্ছা যেমন স্বর্গে, তেমনি পৃথিবীতেও পূর্ণ হোক। আমাদের প্রয়োজনীয় রুটি আজ আমাদের দাও, এবং আমাদের অপরাধ ক্ষমা করো, যেমন আমরা আমাদের অপরাধকারীদের ক্ষমা করি; এবং আমাদের প্রলোভনে পড়তে দিও না, কিন্তু মন্দ থেকে আমাদের রক্ষা করো। আমেন।
সর্বশক্তিমান ঈশ্বর — পিতা, পুত্র এবং পবিত্র আত্মা আপনাদের আশীর্বাদ করুন এবং পরম শান্তিতে রক্ষা করুন। আমেন।
✝ সর্বশক্তিমান ঈশ্বর আপনাদের আশীর্বাদ করুন: পিতা, পুত্র ও পবিত্র আত্মার নামে। আমেন।