পিতা, পুত্র ও পবিত্র আত্মার নামে। আমাদের প্রভু যীশু খ্রীষ্টের অনুগ্রহ, ঈশ্বর পিতার প্রেম এবং পবিত্র আত্মার সহভাগিতা আপনাদের সকলের সহবর্তী হোক।
হে প্রভু, আমাদের প্রতি দয়া করুন। হে খ্রীষ্ট, আমাদের প্রতি দয়া করুন। হে প্রভু, আমাদের প্রতি দয়া করুন।
একটি মানুষের হাত কত কিছু করতে পারে, তাই না?
এক জোড়া হাত দিয়ে আমরা মাটির ঘর তৈরি করি, রুটি সেঁকি, প্রিয়জনের অশ্রু মুছে দিই, আবার এই হাত দিয়েই আমরা চিঠি লিখি। আজকের প্রথম পাঠে আমরা সাধু পৌলের হাতের এক অদ্ভুত স্পর্শ পাই। তিনি চিঠির শেষে বলছেন, “আমি, পৌল, নিজের হাতে এই শুভেচ্ছা লিখছি। আমার প্রতিটি চিঠিতে এটাই চিহ্ন; আমি এভাবেই লিখি।”
কল্পনা করুন সেই দৃশ্যটি। সাধু পৌল হয়তো কোনো অন্ধকার ঘরে বসে আছেন। তাঁর হাত দুটি মসৃণ নয়। তিনি তাঁবু তৈরির কাজ করতেন। তাঁর হাত ছিল খসখসে, পরিশ্রমে শক্ত হয়ে যাওয়া হাত। সেই পরিশ্রমি হাত দিয়ে তিনি যখন পার্চমেন্টের ওপর কলম চালাচ্ছেন, তখন প্রতিটি অক্ষরে তাঁর হৃদয়ের স্পন্দন অনুভূত হচ্ছে। তিনি কেবল মুখে বড় বড় কথা বলেননি; তিনি দিনরাত পরিশ্রম করেছেন যাতে কারও ওপর বোঝা না হন। তাঁর হাতের কাজ ছিল তাঁর বিশ্বাসের জীবন্ত প্রমাণ।
আজকের গীতসংহিতায় আমরা শুনি: “তোমরা তোমাদের হাতের পরিশ্রমের ফল ভোগ করবে; তোমরা ধন্য ও অনুগ্রহপ্রাপ্ত হবে।” হাতের পরিশ্রমের ফল—এটি কত সুন্দর একটি ধারণা! ঈশ্বর আমাদের হাত দিয়েছেন কিছু সৃষ্টি করার জন্য, কিছু গড়ে তোলার জন্য।
কিন্তু এর বিপরীতে, আজকের সুসমাচারে প্রভু যীশু ফরীশীদের হাতের কাজের এক ভিন্ন রূপ আমাদের দেখান। ফরীশীরাও হাত ব্যবহার করত। কিন্তু তারা কী তৈরি করত? যীশু বলছেন, “তোমরা ভাববাদীদের সমাধি নির্মাণ করো এবং ধার্মিকদের স্মৃতিসৌধ সাজাও।”
একটু গভীরভাবে ভেবে দেখুন। ফরীশীরা যা তৈরি করছে, তা হলো ‘সমাধি’—মৃত মানুষের ঘর। তারা বাইরে থেকে সেগুলোকে চুনকাম করে সুন্দর করে তুলছে, পাথর খোদাই করে সাজিয়ে তুলছে। কিন্তু সেই সুন্দর পাথরের নিচে কী আছে? কেবলই মৃত্যু, কেবলই শূন্যতা ও ক্ষয়। তাদের হাতের কাজ কোনো জীবন সৃষ্টি করে না, তা কেবল অতীতকে সাজিয়ে রাখতে চায় যাতে নিজেদের বর্তমানের ভণ্ডামি ঢেকে রাখা যায়। তারা এমন এক বাহ্যিক ধার্মিকতার প্রদর্শন করছে যার ভেতরে কোনো জীবন্ত হৃদয় নেই।
আজকের এই দুটি বিপরীত চিত্র—একদিকে সাধু পৌলের পরিশ্রমি হাত যা জীবন্ত বিশ্বাস ও সেবায় নিয়োজিত, এবং অন্যদিকে ফরীশীদের হাত যা কেবল মৃতদের সমাধি সাজিয়ে বাহ্যিক প্রশংসা পেতে চায়—আমাদের জীবনের এক গভীর সত্যের মুখোমুখি দাঁড় করায়।
আমরা আমাদের হাত দিয়ে কী নির্মাণ করছি?
আমরা কি আমাদের জীবনে এমন কিছু গড়ে তুলছি যা জীবন্ত, যা ভালোবাসায় পূর্ণ? নাকি আমরা কেবল বাইরের খোলসটা সুন্দর রাখছি, আর ভেতরে এক গভীর শূন্যতা বয়ে বেড়াচ্ছি?
আজ এই সত্যটি আমাদের হৃদয়ে আরও বেশি ভারী হয়ে বাজে, কারণ আজ আমরা এখানে সমবেত হয়েছি এক গভীর শূন্যতা বুকে নিয়ে।
আজ ২৬শে আগস্ট, ২০২৬। গত ১৩ই জুন আমাদের প্রিয় বেঞ্জামিন ভো, আমাদের আদরের বেন আমাদের ছেড়ে চলে গেছে। আজ প্রায় আড়াই মাস হতে চলল।
আমি জানি, এই আড়াই মাসের সময়টা কত দীর্ঘ এবং একই সাথে কত দ্রুত কেটে গেছে। প্রথম দিকের সেই তীব্র ধাক্কা, মানুষের আনাগোনা, সান্ত্বনার বাণী—সেগুলো হয়তো কিছুটা থিতিয়ে এসেছে। আর এখন নেমে এসেছে এক গভীর, নিস্তব্ধ একাকীত্ব।
সত্যিটা বলতে কোনো দ্বিধা নেই। শোকের এই পর্যায়ে এসে সান্ত্বনা দেওয়া খুব কঠিন। কারণ, ফাঁকা চেয়ারটি এখনও ওভাবেই পড়ে আছে। বেনের ঘরের সেই কম্পিউটার ডেস্কটি, যেখানে সে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকত, তা আজ নিস্তব্ধ। যে হাতগুলো একসময় কিবোর্ডের ওপর ঝড় তুলত, যে হাতগুলো বাবাকে জড়িয়ে ধরত, সেই হাতগুলো আজ আমাদের চোখের আড়ালে।
প্রিয় অ্যালান, প্রিয় থাও—আপনাদের বুক চিরে যে কান্না আসে, তা আমি জানি। কোনো চুনকাম করা সমাধি বা বাহ্যিক সান্ত্বনার প্রলেপ আপনাদের এই ক্ষতকে ঢাকতে পারবে না। আপনাদের মনে হতে পারে, “আমরা এত পরিশ্রম করলাম, এত প্রার্থনা করলাম, তবে কেন আমাদের এই হাতের পরিশ্রমের ফল এমন হলো? কেন আমাদের প্রিয় সন্তানকে এত অল্প বয়সে চলে যেতে হলো?”
এই প্রশ্নটি যখন মনের ভেতর হাতুড়ির মতো আঘাত করে, তখন চারপাশ অন্ধকার দেখায়।
কিন্তু ঠিক এই অন্ধকারের মাঝেই আজকের প্রথম পাঠের সেই শেষ অংশটি আমাদের কানে ফিসফিস করে বলে: “শান্তির প্রভু স্বয়ং তোমাদের সব সময় এবং সব উপায়ে শান্তি দান করুন।”
সব সময় এবং সব উপায়ে…
এর অর্থ কী? এর অর্থ হলো, যখন আপনারা হাসছেন তখনও তিনি শান্তি দিতে পারেন, আবার যখন আপনারা নিভৃতে চোখের জল ফেলছেন, যখন আপনাদের বুকটা ব্যথায় ফেটে যাচ্ছে, তখনও সেই কান্নার মধ্য দিয়েই তিনি আপনাদের শান্তি দিতে পারেন। এই শান্তি কোনো জাদুকরী উপায়ে দুঃখ দূর করে দেওয়া নয়; এটি হলো ঈশ্বরের সেই নীরব উপস্থিতি যা আমাদের ভাঙা হৃদয়ের টুকরোগুলোকে আলতো করে ধরে রাখে।
আমাদের প্রিয় বেঞ্জামিন—আমাদের বেন—তার জীবনটি কিন্তু কোনো চুনকাম করা সমাধি ছিল না। সে বাইরের দেখানোর জন্য বাঁচেনি। তার ১৫ বছরের জীবন ছিল এক জীবন্ত হাতের কাজের মতো, যা সে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও ভালোবাসার সাথে গড়ে তুলেছিল।
বেন ছিল প্রখর মেধার অধিকারী। সে কেবল স্বপ্ন দেখত না, সে কাজ করত। তার একটি নিজস্ব GitHub রিপোজিটরি ছিল, যেখানে সে নিজে কোডিং করে বিভিন্ন গেম এবং অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করত। সে তার বাবার মতোই AWS এবং ক্লাউড ইনফ্রাস্ট্রাকচারের মতো জটিল প্রযুক্তিগুলো আয়ত্ত করেছিল। তার সেই ছোট্ট হাতগুলো কিবোর্ডের ওপর যা তৈরি করত, তা ছিল তার সৃজনশীলতার জীবন্ত ফসল। সে ছিল একজন সত্যিকারের নির্মাতা।
কিন্তু তার এই মেধার চেয়েও সুন্দর ছিল তার হৃদয়ের সরলতা। সে বিশ্বাস করত, “চেষ্টা করাই আসল কথা” (trying is all that matters)। সে তার কাজে কোনো ফাঁকি রাখত না। সে যা-ই করত, মন থেকে করত।
আমার চোখের সামনে ভেসে ওঠে একটি সুন্দর মুহূর্তের ছবি। বেন এবং তার ছোট ভাই রায়ান একসাথে শুয়ে আছে। তারা একটি সবুজ পাতা আঁকা আরামদায়ক কম্বলের নিচে গুটিসুটি মেরে শুয়ে আছে। রায়ান শান্তভাবে ঘুমাচ্ছে, তার ছোট হাতটি কম্বলের কোণটি ধরে আছে, আর বেন তার ঠিক পাশেই পরম শান্তিতে শুয়ে আছে।
এই ছবিটি কী প্রকাশ করে?
এটি প্রকাশ করে এক পরম শান্তি এবং ভ্রাতৃত্বের গভীর বন্ধন। সারাদিনের খেলাধুলা, পড়াশোনা আর পরিশ্রমের পর দুটি ভাই যখন ওই সবুজ কম্বলের নিচে আশ্রয় নেয়, তখন সেখানে কোনো ভণ্ডামি থাকে না, কোনো বাহ্যিকতার প্রয়োজন হয় না। সেখানে কেবল থাকে এক বিশুদ্ধ, নিঃশব্দ ভালোবাসা।
আজ আমাদের প্রিয় বেন সেই পার্থিব পরিশ্রমের পর স্বর্গের এক পরম শান্তিতে বিশ্রাম নিচ্ছে। সে আজ স্বর্গের সেই চিরন্তন কম্বলের নিচে, প্রভু যীশুর স্নেহময় কোলে সুরক্ষিত। তার হাতের সমস্ত কোডিং, তার সমস্ত চেষ্টা, তার সেই সুন্দর স্বপ্নগুলো আজ ঈশ্বরের কাছে এক অমূল্য উপহার হিসেবে গৃহীত হয়েছে। সে ফরীশীদের মতো কোনো মৃত স্মৃতিস্তম্ভ রেখে যায়নি; সে আমাদের হৃদয়ে রেখে গেছে এক জীবন্ত ভালোবাসার উত্তরাধিকার।
প্রিয় অ্যালান, প্রিয় থাও—আমি জানি আপনাদের হাত দুটি আজ শূন্য অনুভব করছে। যে সন্তানকে আপনারা বুকে ধরে মানুষ করেছেন, তার অনুপস্থিতি প্রতি মুহূর্তে আপনাদের কাঁদায়। কিন্তু মনে রাখবেন, আপনারা বেনকে যে ভালোবাসা দিয়েছেন, তা কোনোদিন হারিয়ে যাবে না। আপনারা তাকে কোনো বাহ্যিক নিয়মের খাঁচায় বন্দি করেননি; আপনারা তাকে ডানা মেলতে শিখিয়েছেন। আপনারা তার সাথে বিশ্ব ভ্রমণ করেছেন, তার শখের বোয়িং ৭৩৭ প্লেন দেখার জন্য এয়ারপোর্টে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়েছেন। আপনাদের এই মাতাপিতার হাত বেনের জীবনকে এক সুন্দর রূপ দিয়েছে।
মাঝে মাঝে শোকের রাতে এক অদ্ভুত অপরাধবোধ আমাদের গ্রাস করতে চায়। আমরা ভাবতে শুরু করি, “আমি কি আরও একটু ভালো করতে পারতাম? আমি কি কোনো ভুল করেছি?”
আজ যীশুর সেই পরম সত্যটি আপনাদের হৃদয়ে গ্রহণ করুন। যীশু যখন অন্ধ লোকটিকে দেখেছিলেন, তিনি বলেছিলেন, “কারও পাপের জন্য এমন হয়নি।” আপনাদের আমি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বলতে চাই: বেনের এই চলে যাওয়া কোনো ভুল বা অবহেলার শাস্তি নয়। এটি এমন এক দুঃখ যা মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। আপনারা বেনের জন্য যা করেছেন, তা ছিল নিখুঁত। আপনাদের ভালোবাসা ছিল অসীম। নিজেদের ওপর এই অপরাধবোধের পাথর আর বয়ে বেড়াবেন না। ঈশ্বর আপনাদের অন্তরের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা দেখেছেন এবং তিনি আপনাদের এই ক্ষতকে নিরাময় করতে চান।
রায়ান, আমার স্নেহের ছোট ভাই—আজ আমি তোমার দিকে তাকিয়ে বলছি। তোমার বড় ভাই বেন তোমাকে কতটা ভালোবাসত, তা তুমি জানো। সেই সবুজ কম্বলের নিচে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত, সেই একসাথে হাসাহাসি করা—সেগুলো কোনোদিন মুছে যাবে না। তোমার দাদা আজ স্বর্গের গ্যালারি থেকে তোমার দিকে তাকিয়ে হাসছে। সে চায় তুমি যেন জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে বেনের মতোই চেষ্টা করে যাও। তুমি তোমার বাবা-মায়ের পাশে এক শক্তির উৎস হয়ে দাঁড়াও। তোমার প্রতিটি হাসিতে, তোমার প্রতিটি সাফল্যে বেনের স্মৃতি জীবন্ত থাকবে।
আজ দূর-দূরান্ত থেকে যারা আমাদের এই প্রার্থনায় যুক্ত হয়েছেন—বিশেষ করে যে পিতা-মাতারা অসুস্থ সন্তানের পাশে বিনিদ্র রাত কাটাচ্ছেন, যে পরিবারগুলো দুঃখের ভারী ক্রুশ বহন করছেন—আপনারা জেনে রাখুন, ঈশ্বর আপনাদের দেখছেন। তিনি আপনাদের হাতের প্রতিটি অশ্রুভেজা কাজ চেনেন। তিনি আপনাদের বাহ্যিক শক্তি দেখেন না; তিনি দেখেন আপনাদের অন্তরের গভীর ভালোবাসা।
আসুন, আজকের এই পবিত্র লিটার্জি থেকে আমরা একটি ছোট কিন্তু গভীর সত্য আমাদের সাথে নিয়ে বাড়ি ফিরি।
আজ আমরা যেন ফরীশীদের মতো কেবল বাইরের ‘চুনকাম করা সমাধি’ বা বাহ্যিক ধার্মিকতা নিয়ে ব্যস্ত না থাকি। আসুন, আমরা আমাদের হাত দুটিকে সাধু পৌলের মতো এবং আমাদের প্রিয় বেনের মতো জীবন্ত ভালোবাসার কাজে নিয়োজিত করি।
আজ যখন আপনারা বাড়ি ফিরবেন, আপনাদের হাত দিয়ে একটি ছোট ভালোবাসার কাজ করুন। হতে পারে তা প্রিয়জনকে একটি শক্ত আলিঙ্গন দেওয়া, কাউকে একটি সান্ত্বনার চিঠি লেখা, বা কেবল নীরব প্রার্থনায় কারও হাত ধরে রাখা। আমাদের হাতের কাজ যেন জীবন সৃষ্টি করে, মৃত্যু নয়।
ভিয়েতনামের সিয়া মাউ-তে বেনের নামে উৎসর্গীকৃত সেই ‘ভালোবাসার কূপ’ (Giếng Gioan Baotixita) থেকে যেভাবে আজ তৃষ্ণার্ত মানুষের জন্য জীবনদায়ী জল বয়ে চলেছে—তেমনি আমাদের জীবন থেকেও যেন বেনের স্মরণে ভালোবাসার ধারা প্রবাহিত হয়।
প্রভু যীশু খ্রীষ্টের পরম শান্তি আপনাদের গৃহ ও হৃদয়কে পূর্ণ করুক। ধন্য কুমারী মারীয়া তাঁর মাতৃত্বের আঁচল দিয়ে আপনাদের সমস্ত ক্ষত ঢেকে রাখুন। এবং আমাদের প্রিয় বেঞ্জামিন ভো স্বর্গের সেই চিরন্তন আলোয়, সাধু কার্লো আকুত্তিসের সাথে প্রভুর সান্নিধ্যে শান্তিতে বিশ্রাম করুক।
আমেন।
For the intentions entrusted to Ben on our prayer wall:
🕯 প্রার্থনা প্রাচীরে আপনার নিজের প্রার্থনা প্রজ্জ্বলিত করুন →
মুক্তিদাতার আজ্ঞায় এবং ঐশ্বরিক শিক্ষায় গঠিত হয়ে, আমরা বলতে সাহস করি:
স্বর্গস্থ আমাদের পিতা, তোমার নাম পূজিত হোক। তোমার রাজ্য আসুক। তোমার ইচ্ছা যেমন স্বর্গে, তেমনি পৃথিবীতেও পূর্ণ হোক। আমাদের প্রয়োজনীয় রুটি আজ আমাদের দাও, এবং আমাদের অপরাধ ক্ষমা করো, যেমন আমরা আমাদের অপরাধকারীদের ক্ষমা করি; এবং আমাদের প্রলোভনে পড়তে দিও না, কিন্তু মন্দ থেকে আমাদের রক্ষা করো। আমেন।
প্রভু আপনাদের আশীর্বাদ করুন এবং সমস্ত অমঙ্গল থেকে রক্ষা করে অনন্ত জীবনে নিয়ে যান। পিতা, পুত্র ও পবিত্র আত্মার নামে। আমেন।
✝ সর্বশক্তিমান ঈশ্বর আপনাদের আশীর্বাদ করুন: পিতা, পুত্র ও পবিত্র আত্মার নামে। আমেন।