পিতা ও পুত্র ও পবিত্র আত্মার নামে। আমেন। আজ আমরা ঈশ্বরের পবিত্র চরণে সমবেত হয়েছি, তাঁর বাণী শ্রবণ করতে এবং তাঁর অনন্ত করুণার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করতে।
হে ঈশ্বর, আমাদের করুণা করুন, আমাদের পাপ ক্ষমা করুন।
প্রিয় ভাই ও বোনেরা,
আজকের শাস্ত্রপাঠ আমাদের এক গভীর, প্রায় অলৌকিক দৃশ্যের মুখোমুখি দাঁড় করায়। ভাববাদী যিহিষ্কেল নিজেকে এক মৃত হাড়গোড়ে ভরা উপত্যকায় দেখতে পান। বাতাস যেন মৃত্যুর নিস্তব্ধতায় ভারী। প্রতিটি হাড় যেন এক একটি জীবনের গল্প, যা এখন কেবল ধুলো আর নীরবতায় পরিণত হয়েছে। ঈশ্বর যিহিষ্কেলকে প্রশ্ন করেন, “মনুষ্যপুত্র, এই হাড়গুলো কি বেঁচে উঠতে পারে?”
এই প্রশ্নটি শুধু যিহিষ্কেলের জন্য নয়, এটি আমাদের প্রত্যেকের জন্য। আমাদের জীবনেও এমন অনেক মুহূর্ত আসে যখন আমরা নিজেদেরকে এক মৃতপ্রায় উপত্যকায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখি। হয়তো কোনো প্রিয়জনের মৃত্যু আমাদের জীবনে এক গভীর শূন্যতা এনে দিয়েছে, অথবা কোনো স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে, অথবা কোনো সম্পর্ক এমনভাবে ভেঙে গেছে যে তাকে আর জোড়া লাগানো সম্ভব বলে মনে হয় না। সেই মুহূর্তে আমাদের মনেও প্রশ্ন জাগে, “আমার জীবনের এই মৃত হাড়গুলো কি আবার প্রাণ ফিরে পেতে পারে? আমারHope কি আবার জেগে উঠতে পারে?”
যিহিষ্কেলের উত্তরে আমরা শুনি এক গভীর বিনয় ও বিশ্বাস: “প্রভু ঈশ্বর, আপনিই কেবল তা জানেন।” হ্যাঁ, ঈশ্বরই জানেন। আমরা কেবল দেখতে পাই মৃত হাড়, কিন্তু ঈশ্বর দেখতে পান এক বিশাল সৈন্যবাহিনী। আমরা দেখি ধ্বংস, কিন্তু ঈশ্বর দেখেন পুনর্জন্ম। ঈশ্বর যিহিষ্কেলকে বলেন, “এই হাড়গুলোর উপর ভাববাণী বলো… ‘শুষ্ক হাড়, প্রভুর বাণী শোনো!’” ঈশ্বর কেবল হাড় নয়, তিনি মৃতপ্রায় মানুষের অন্তরেও বাণী দেন। তিনি প্রতিজ্ঞা করেন, “আমি তোমাদের মধ্যে প্রাণ প্রবেশ করাব, তোমরা বেঁচে উঠবে।”
আর ঠিক তাই ঘটে। যিহিষ্কেল ভাববাণী বলেন, আর হাড়গুলো একে অপরের সাথে যুক্ত হতে শুরু করে। মাংস জন্মায়, চামড়া ঢেকে দেয়। কিন্তু তখনও প্রাণ ছিল না। তখন ঈশ্বর বলেন, “আত্মার কাছে ভাববাণী বলো, হে মনুষ্যপুত্র, আত্মার কাছে ভাববাণী বলো এবং তাকে বলো: ‘প্রভু ঈশ্বর এই কথা বলেন: হে প্রাণ, চার দিক থেকে এসো, এই মৃতদের উপর ফুঁ দাও যেন তারা বেঁচে ওঠে।’”
আর যখন যিহিষ্কেল ঈশ্বরের আজ্ঞা পালন করেন, তখন প্রাণ তাদের মধ্যে প্রবেশ করে। তারা জীবিত হয়ে ওঠে এবং এক বিশাল সৈন্যবাহিনী হিসেবে দাঁড়ায়। ঈশ্বর বলেন, “এই হাড়গুলো হলো সমগ্র ইস্রায়েল গোষ্ঠী। তারা বলছে, ‘আমাদের হাড় শুকিয়ে গেছে, আমাদের আশা শেষ, আমরা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছি।’ তাই তাদের কাছে ভাববাণী বলো… ‘হে আমার লোক, আমি তোমাদের কবর খুলে দেব এবং তোমাদের কবর থেকে উঠিয়ে ইস্রায়েলের ভূমিতে ফিরিয়ে আনব। তোমরা জানবে যে আমিই প্রভু, যখন আমি তোমাদের কবর খুলে দেব এবং তোমাদের কবর থেকে উঠিয়ে আনব, হে আমার লোক! আমি তোমাদের মধ্যে আমার আত্মা প্রবেশ করাব, তোমরা বেঁচে উঠবে, এবং আমি তোমাদের তোমাদের ভূমিতে স্থাপন করব…’”
এই প্রতিজ্ঞা কেবল ইস্রায়েল জাতির জন্য ছিল না, এটি আমাদের জন্যও। এটি ঈশ্বরের সেই অনন্ত প্রতিজ্ঞা যে, যেখানে মৃত্যু সেখানে জীবন আছে, যেখানে ধ্বংস সেখানে সৃষ্টি আছে, যেখানে নিরাশা সেখানে আশা আছে। ঈশ্বর আমাদের কবর খুলে দেবেন, আমাদের মৃতপ্রায় আত্মাকে নতুন প্রাণ দেবেন।
আজকের সুসমাচারে, যীশু এই একই সত্যকে অন্যভাবে প্রকাশ করেন। ফরীশীরা যীশুকে পরীক্ষা করার জন্য জিজ্ঞেস করে, “ব্যবস্থার মধ্যে কোন আজ্ঞাটি শ্রেষ্ঠ?” যীশু উত্তর দেন, “তুমি তোমার ঈশ্বর প্রভুকে তোমার সমস্ত হৃদয়, তোমার সমস্ত প্রাণ ও তোমার সমস্ত মন দিয়ে ভালবাসবে। এটাই শ্রেষ্ঠ ও প্রথম আজ্ঞা। দ্বিতীয়টি এর অনুরূপ: তুমি তোমার প্রতিবেশীকে নিজের মতো ভালবাসবে। এই দুটি আজ্ঞার উপরই সমস্ত ব্যবস্থা ও ভাববাদীরা নির্ভর করে।”
ভালোবাসা। হ্যাঁ, সেই ভালোবাসাই হলো সেই প্রাণ, সেই আত্মা যা মৃত হাড়গুলোকে জীবিত করে তোলে। ঈশ্বরের প্রতি ভালোবাসা এবং প্রতিবেশীর প্রতি ভালোবাসা—এই দুটি আজ্ঞাই জীবনের মূল শক্তি। যখন আমরা ঈশ্বরকে আমাদের সমস্ত হৃদয় দিয়ে ভালবাসি, তখন আমরা তাঁর অনন্ত জীবনের উৎসের সাথে যুক্ত হই। আর যখন আমরা আমাদের প্রতিবেশীকে নিজের মতো ভালবাসি, তখন আমরা সেই ভালোবাসাকে অন্যদের মাঝে ছড়িয়ে দিই, যা তাদের জীবনেও প্রাণ সঞ্চার করে।
আজ আমরা এখানে সমবেত হয়েছি আমাদের প্রিয় বেঞ্জামিন, আমাদের বেনকে স্মরণ করতে। ১৩ই জুন, ২০২৬ তারিখে, নয় সপ্তাহ আগে, বেন আমাদের ছেড়ে চলে গেছে। নয় সপ্তাহ—সময়টা হয়তো খুব দীর্ঘ নয়, কিন্তু যারা প্রিয়জনকে হারায়, তাদের জন্য প্রতিটি মুহূর্ত যেন এক অনন্তকাল।
বেনের জীবন ছিল সেই শুষ্ক হাড়গুলোর মতো, যা ঈশ্বরের স্পর্শে প্রাণবন্ত এক সৈন্যবাহিনীতে পরিণত হতে পারত। কিন্তু তার জীবন অকালে শেষ হয়ে গেল। তার বয়স ছিল মাত্র পনেরো। কিন্তু এই পনেরো বছরে, বেন তার প্রখর বুদ্ধিমত্তা এবং তার চেয়েও বেশি, তার কোমল হৃদয়ের ছাপ রেখে গেছে।
তার বাবা, অ্যালান, একবার বলেছিলেন যে বেন ছিল তার বাবার প্রতিচ্ছবি—তারlooks এবং তার উচ্চাকাঙ্ক্ষার দিক থেকে। বেন মাত্র চতুর্থ শ্রেণীতে পড়া অবস্থায় অষ্টম শ্রেণীর গণিত সমাধান করতে পারত। সে AI, DevOps, এবং ক্লাউড ইনফ্রাস্ট্রাকচারের মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করত। মাত্র ১৪ বছর বয়সে সে তার বাবার সাথে AWS নিয়ে আলোচনা করত। তার এই তীক্ষ্ণ মনন সত্যিই অসাধারণ ছিল।
কিন্তু বেনের সবচেয়ে বড় পরিচয় ছিল তার নরম হৃদয়। সে ছিল এক মিষ্টি ছেলে, সবসময় হাসিখুশি, বাবা-মায়ের প্রতি অত্যন্ত শ্রদ্ধাশীল। মাত্র ১২ বছর বয়সে, বাবার ৪০তম জন্মদিনে, সে বাবাকে হারানোর ভয়ে কেঁদে ফেলেছিল। তার বাবার প্রতি তার ভালোবাসা ছিল গভীর এবং অমলিন। এই ভালোবাসা কোনো মৃত হাড় ছিল না, এটি ছিল ঈশ্বরের দেওয়া এক জীবন্ত, স্পন্দনশীল হৃদয়।
বেনের বাবা একবার বলেছিলেন, “আমি স্বপ্ন দেখেছিলাম যে আমি এবং বেন আইসক্রিম কিনতে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। বেন পয়সা দিয়েছিল।” এই ছোট ছোট স্মৃতিগুলো বেনের জীবনের সেই নরম দিকটি তুলে ধরে, যেখানে সে সবসময় তার প্রিয়জনদের যত্ন নিত।
সে শুধু প্রযুক্তির জগতেই ডুবে থাকত না, সে ছিল এক লড়াকু athlete। সে বিশ্বাস করত, “চেষ্টা করাই সব।” সে ব্যাডমিন্টন কোর্টে বা বাস্কেটবল ট্রায়আউটে নিজের সবটুকু দিয়ে দিত। সে ব্যর্থ হতে ভয় পেত না, সে কেবল কঠোর পরিশ্রম করত। তার পরিবারে, তার পুরো extended family-এর কাছে, তার ব্যাডমিন্টন টিমে সুযোগ পাওয়াটা ছিল এক পরম আনন্দের মুহূর্ত।
বেনের বাবা-মায়ের জন্য, অ্যালান ও থাও, এই সময়টা হয়তো সবচেয়ে কঠিন। প্রতিটি কোণে, প্রতিটি স্মৃতিতে বেনের উপস্থিতি। ঘরের সেই চেনা কোণটি যেখানে বেন বসত, তার বইপত্র, তার প্রিয় জিনিসপত্র—সবই আছে। কিন্তু সেই চেনা ডাকটি আর নেই। সেই মিষ্টি হাসিটি আর চোখের সামনে দেখা যায় না।
আমি জানি, যখন কোনো পরিবারে এমন এক গভীর শূন্যতা নেমে আসে, তখন অন্তরে কত শত প্রশ্ন জমে ওঠে। শোকের প্রথম ঝড় যখন কিছুটা থিতিয়ে আসে, তখন এক গভীর ও নীরব যন্ত্রণা বুক চেপে ধরে। মাঝে মাঝে বাবা-মায়ের মনে অলক্ষ্যে এক কঠিন প্রশ্ন এসে আঘাত করে: “আমি কি আরও কিছু করতে পারতাম? আমি কি কোনো কিছু বুঝতে ভুল করেছিলাম? কেন এমন হলো?”
আজকের শাস্ত্রের আলোয়, আমি আপনাদের বলতে চাই—ঈশ্বর আপনাদের দিকে তাকিয়ে আছেন। ঈশ্বর আপনাদের এই ভার লাঘব করতে চান। যখন যীশুর শিষ্যরা তাকে জিজ্ঞেস করেছিল, “প্রভু, কার পাপের কারণে এমন হলো? এই লোকটির নাকি তার বাবা-মায়ের?”, যীশু উত্তর দিয়েছিলেন, “না, এই লোকটিরও নয়, তার বাবা-মায়েরও নয়।”
অ্যালান এবং থাও, আপনাদের এই গভীর বেদনা আমি অনুভব করতে পারি। কিন্তু মনে রাখবেন, বেনের অসুস্থতা বা তার জীবনের শেষ দিনগুলো কোনো পাপের ফল ছিল না। ঈশ্বর কখনো রোগ বা দুঃখ পাঠান না। পৃথিবীতে এমন কিছু বেদনা আসে যা মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। আপনারা বেনকে তার জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত পরম ভালোবাসায় আগলে রেখেছেন। আপনারা তাকে যে স্নেহ ও নিরাপত্তা দিয়েছেন, তা স্বর্গের ফেরেশতারাও দেখেছে। কোনো অপরাধবোধ যেন আপনাদের হৃদয়কে পাথরের মতো ভারী না তোলে। ঈশ্বর আপনাদের অন্তর থেকে সেই পাথর সরিয়ে দিতে চান।
বেনের সেই কোমল হৃদয়, তার সেই ভালোবাসা—সেগুলোই ছিল ঈশ্বরের দেওয়া প্রাণ। তার বাবা একবার বলেছিলেন, “বেনের পনেরো বছরের জীবনে সে তার কাকা উইলিয়ামের স্ট্রোকের কথা শুনেছিল। সে তার নিজের পুরো পিগি ব্যাংকটি দিয়ে দিতে চেয়েছিল কাকার সাহায্যে। যদিও শেষ পর্যন্ত তার টাকার প্রয়োজন হয়নি, কিন্তু তার এই প্রস্তাবটি ছিল তার ভালোবাসার এক অমূল্য নিদর্শন।” এই হলো সেই ভালোবাসা—যা প্রতিবেশীকে নিজের মতো ভালোবাসার সেই দ্বিতীয় আজ্ঞার প্রতিধ্বনি।
বেনের বাবা-মায়ের জন্য, এবং তার ভাই রায়ানের জন্য, এই শূন্যতা হয়তো কখনোই পূরণ হবে না। কিন্তু বেন হারিয়ে যায়নি। সে ঈশ্বরের অনন্ত রাজ্যে, সেই রাজকীয় ভোজসভায় পৌঁছে গেছে, যেখানে আমরা একদিন সবাই আবার একত্রিত হব। রায়ান, তোমার দাদা সবসময় স্বর্গের ওপর থেকে তোমার দিকে তাকিয়ে আছে। সে চায় তুমি শক্ত থাকো, তুমি হাসো, তুমি জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে এগিয়ে যাও। তার সেই কোমল হৃদয়ের ভালোবাসা সর্বদা তোমার চারপাশে এক অদৃশ্য ছায়া হয়ে থাকবে।
আজ যারা দূর-দূরান্ত থেকে আমাদের সঙ্গে এই প্রার্থনায় যুক্ত হয়েছেন—বিশেষ করে যে মায়েরা অসুস্থ সন্তানকে কোলে নিয়ে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন, যে পরিবারগুলো দুঃখের কঠিন ক্রুশ বহন করছেন, এবং যে ছোট্ট শিশুরা আজ কষ্টের মুখোমুখি—আপনারা জানবেন, আপনারা একা নন। ঈশ্বর আপনাদের প্রতিটি চোখের জল চেনেন। তিনি আপনাদের হৃদয়ের পাথর সরিয়ে সেখানে তাঁর পরম করুণার জল ঢেলে দিতে চান।
আমাদের প্রিয় বেঞ্জামিন ভো, যার জীবন ঈশ্বরের পবিত্র স্পর্শে এক নতুন প্রাণ পেয়েছিল, সে আজ স্বর্গের অনন্ত আলোয়, প্রভুর শান্তিতে বিশ্রাম নিচ্ছে। তার সেই প্রখর মনন এবং নরম হৃদয়—দুই-ই ঈশ্বরের ভালোবাসায় মিশে গেছে। আমরা প্রার্থনা করি, যেন তার আত্মা প্রভুর চরণে চিরশান্তি লাভ করে।
আসুন, আজকের এই লিটার্জি থেকে আমরা একটি ছোট বার্তা আমাদের হৃদয়ে নিয়ে বাড়ি ফিরি। ঈশ্বরের প্রতি এবং প্রতিবেশীর প্রতি ভালোবাসাই হলো সেই প্রাণ, যা আমাদের জীবনের মৃত হাড়গুলোকে জীবিত করে তোলে। আসুন, আমরা বেনের সেই কোমল হৃদয়ের কথা স্মরণ করি এবং আমাদের জীবনে সেই ভালোবাসার ধারা প্রবাহিত করি।
প্রভু যীশু খ্রীষ্ট তাঁর অসীম শান্তিতে আপনাদের পরিবারকে ভরিয়ে দিন। মা মারীয়া তাঁর সান্ত্বনাময় আঁচল দিয়ে আপনাদের ঢেকে রাখুন। আমেন।
For the intentions entrusted to Ben on our prayer wall:
🕯 প্রার্থনা প্রাচীরে আপনার নিজের প্রার্থনা প্রজ্জ্বলিত করুন →
মুক্তিদাতার আজ্ঞায় এবং ঐশ্বরিক শিক্ষায় গঠিত হয়ে, আমরা বলতে সাহস করি:
স্বর্গস্থ আমাদের পিতা, তোমার নাম পূজিত হোক। তোমার রাজ্য আসুক। তোমার ইচ্ছা যেমন স্বর্গে, তেমনি পৃথিবীতেও পূর্ণ হোক। আমাদের প্রয়োজনীয় রুটি আজ আমাদের দাও, এবং আমাদের অপরাধ ক্ষমা করো, যেমন আমরা আমাদের অপরাধকারীদের ক্ষমা করি; এবং আমাদের প্রলোভনে পড়তে দিও না, কিন্তু মন্দ থেকে আমাদের রক্ষা করো। আমেন।
পিতা ও পুত্র ও পবিত্র আত্মার নামে। আমেন। ঈশ্বর আপনাদের সকলকে তাঁর অনন্ত শান্তি ও ভালোবাসায় পূর্ণ করুন।
✝ সর্বশক্তিমান ঈশ্বর আপনাদের আশীর্বাদ করুন: পিতা, পুত্র ও পবিত্র আত্মার নামে। আমেন।